কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো জন্মায় ২০২৫
প্রিয় পাঠক আশা করছি আপনি ভালো আছেন কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো জন্মে যদি আপনি এই
সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান তাহলে নিচের আলোচনাগুলো আপনার জন্য অনেক
গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে এবং যারা কৃষি কাজের সাথে বিভিন্নভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িত
তাদের সবার জন্য অনেক উপকারে আসবে এই আর্টিকেলটি তাই দেরি না চলুন জেনে নেওয়া
যাক
কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো জন্মে এছাড়াও আপনি যদি কোন মাসে কোন ফল সবজি লাগাতে হয়
এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে রাখতে পারেন তাহলে আপনার জন্য কৃষি কাজ করে
সফলতা অবশ্যই আসবে চলুন তবে আমাদের সাথে থেকে আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর নিন
কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো জন্মায় ২০২৫
প্রিয় পাঠক আমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজের
সাথে জড়িত, এবং আগের থেকে এখন কৃষি কাজ করার ধরন অনেক পরিবর্তন হয়েছে, আগের
থেকে এখন অনেক কম সময় খরচ হচ্ছে কৃষি কাজ করার জন্য বা ফসল উৎপাদন করার জন্য,
কৃষি প্রযুক্তি আমাদের কৃষি কাজকে অনেক সহজ এবং সময় দুটো বাঁচিয়ে দিয়েছে,
এছাড়াও কৃষি প্রযুক্তি কল্যানে এখন দেশে প্রায় সারা বছরই নানান ধরনের
দেশি-বিদেশি সকল সবজি ধান ফলমূল ইত্যাদি উৎপাদন হয়
তাই আমাদের কৃষি কাজ করে যদি অল্প সময়ের মধ্যে একজন সফল কৃষক হতে চাই তাহলে
অবশ্যই আমাদের জানতে হবে কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো জন্মে যদি এই বিষয়ে আপনি অবগত
থাকেন তাহলে সহজেই আপনি আপনার জন্য কৃষি কাজ একটি লাভজনক পেশা হয়ে উঠবে,তাই দেরি
না ঝটপট মন দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন এবং সম্পুর্ন আর্টিকেল পড়ার জন্য নিজেকে
প্রস্তুত করুন তবে এখন শুরু করা যাক বাংলাদেশে তিনটি প্রধান কৃষি মৌসুম রয়েছে
- রবি: আশ্বিন (মধ্য অক্টোবর) থেকে ফাল্গুন (মধ্য মার্চ) পর্যন্ত। এই মৌসুমে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা কম থাকে এবং বৃষ্টিপাতও কম হয়। তাই এই সময় শীতকালীন শাকসবজি যেমন - ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদি চাষ করা হয়। এছাড়াও বোরো ধান এই মৌসুমের প্রধান ফসল।
- খরিফ-১: ফাল্গুন (মধ্য মার্চ) থেকে আষাঢ় (মধ্য জুলাই) পর্যন্ত। এই সময় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বেশি থাকে এবং বৃষ্টিপাতও প্রচুর হয়। তাই এই মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন ধান (আউশ), পাট, মসুর ডাল, তিল, জুট, কাঁকরোল, ঝিঙা, পটল, ধুন্দুল, লাউ, কুমড়া ইত্যাদি চাষ করা হয়।
- খরিফ-২: আষাঢ় (মধ্য জুলাই) থেকে কার্তিক (মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত। এই সময় বৃষ্টিপাত ক্রমশ কমে আসে। তাই এই মৌসুমে আমান ধান, শসা, তরমুজ, বেগুন, মরিচ ইত্যাদি চাষ করা হয়।
মৌসুম ছাড়াও, মাটির ধরন, জলবায়ু, এবং কৃষকদের অভিজ্ঞতাও ফসলের উৎপাদনে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কিছু উদাহরণ
- বেলে মাটিতে: তরমুজ, শসা, বাঙ্গি, চীনাবাদাম, মিষ্টি আলু ইত্যাদি ভালো জন্মে।
- দোআঁশ মাটিতে: সব ধরনের ফসল ভালো জন্মে।
- বেলে-দোআঁশ মাটিতে: গোল আলু, টমেটো, বেগুন বেশি জন্মে।
কোন মৌসুমে কোন ফল ভালো জন্মে
প্রিয় পাঠক নিচে আরো বিস্তারিত কিছু তথ্য আলোচনা করা হয়েছে যেগুলো আপনার উপকারে
আসবে বাংলাদেশে কোন মৌসুমে কোন ফল ভালো জন্মে
গ্রীষ্মকাল (মার্চ - মে)
- আম: ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর, আম্রপালি, ফজলি
- কাঁঠাল
- জাম
- লিচু
- পেয়ারা
- আনারস
- বেল
- করমচা
- পেঁপে
- তরমুজ
- খরমুজা
বর্ষাকাল (জুন - আগস্ট)
- জামরুল
- কুল
- লেবু
- পেঁপে
- কাঁঠাল
- আম
শরৎকাল (সেপ্টেম্বর - নভেম্বর)
- পেয়ারা
- আপেল
- নাশপাতি
- কুল
- লেবু
- আমলকী
- বেল
- কামরাঙা
- খেজুর
শীতকাল (ডিসেম্বর - ফেব্রুয়ারি)
- কমলা
- মাল্টা
- লেবু
- আমলকী
- বেল
- জাম্বুরা
- খেজুর
- আঙ্গুর
- স্ট্রবেরি
মনে রাখবেন এই তালিকাটি পূর্ণাঙ্গ নয়।জাত, আবহাওয়া, এবং পরিচর্যার উপর ফলের
উৎপাদন নির্ভর করে।স্থানীয় বাজারে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ফল পাওয়া যায়।
বৈশাখ মাস, অর্থাৎ মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য মে মাস
প্রিয় পাঠক বৈশাখ মাস, অর্থাৎ মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য মে মাস, গ্রীষ্মকালের শুরু।
এই সময় রবি মৌসুমের শেষ এবং খরিফ-১ মৌসুমের শুরু।এই সময়ে যে ফসলগুলো ভালো জন্মে
১) রবি শস্য বোরো ধান: এই সময়ে বোরো ধানের পাকা শুরু হয়। গম: গম কাটার
সময়।আলু: আলু সংগ্রহের সময়।
২) খরিফ-১ শস্য
- আউশ ধান: বীজ বপন ও চারা রোপণের সময়।
- পাট: বীজ বপন ও চারা রোপণের সময়।
- মসুর ডাল: বীজ বপনের সময়।
- তিল: বীজ বপনের সময়।
- জুট: বীজ বপনের সময়।
- গ্রীষ্মকালীন সবজি
- লালশাক
- গিমা কলমি
- ডাঁটা
- পাতা পেঁয়াজ
- পাটশাক
- বেগুন
- মরিচ
- আদা
- হলুদ
- ঢেঁড়স
- টমেটো (চারা রোপণ)
- কুমড়াজাতীয়
- মিষ্টিকুমড়া
- করলা
- ধুন্দুল
- ঝিঙা
- চিচিঙ্গা
- চালকুমড়া
জৈষ্ঠ্য মাস অর্থাৎ মধ্যে মে থেকে জুন মাস
জৈষ্ঠ্য মাস (মধ্য মে থেকে জুন): ফল ও শাকসবজি
- ফল আম: ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হিমসাগর, আম্রপালি, ফজলি
- কাঁঠাল
- জাম
- লিচু
- পেয়ারা
- আনারস
- বেল
- করমচা
- পেঁপে
- তরমুজ
- খরমুজা
- শাকসবজি
- লালশাক
- গিমা কলমি
- ডাঁটা
- পাতা পেঁয়াজ
- পাটশাক
- বেগুন
- মরিচ
- আদা
- হলুদ
- ঢেঁড়স
- টমেটো
- কুমড়াজাতীয়
- মিষ্টিকুমড়া
- করলা
- ধুন্দুল
- ঝিঙা
- চিচিঙ্গা
- চালকুমড়া
পানি: এই সময়ে তাপমাত্রা বেশি থাকে, তাই ফসলের নিয়মিত সেচ প্রয়োজন।
পোকামাকড়: এই সময়ে পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি হয়। তাই নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন
করে পোকামাকড়ের আক্রমণ রোধ করতে হবে।
রোগ: এই সময়ে কিছু রোগ দেখা দিতে পারে। তাই রোগের লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত
ব্যবস্থা নিতে হবে।
আষাঢ় মাস অর্থাৎ মধ্যে জুন থেকে মধ্যে জুলাই মাস
আষাঢ় মাস (মধ্য জুন থেকে মধ্য জুলাই): ফসল ও শাকসবজি
ফসল
- আউশ ধান: বৃদ্ধি পর্যায়।
- রোপা আমন ধান: বীজতলা তৈরি ও চারা রোপণ।
- পাট: বৃদ্ধি পর্যায়।
- জুট: বৃদ্ধি পর্যায়।
- তিল: বৃদ্ধি পর্যায়।
- মসুর ডাল: বৃদ্ধি পর্যায়।
শাকসবজি
- বর্ষাকালীন বেগুন
- আগাম শিম
- বরবটি
- সাজনে ডাটা
- করলা
- কাঁকরোল
- ঢেঁড়স
- লাউ
- কুমড়াজাতীয়
- লাউ
- চালকুমড়া
- বড় কুমড়া
- ঝিঙা
- পটল
আষাঢ় মাস বর্ষাকালের প্রথম মাস।এই সময়ে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি থাকে।বৃষ্টির
পানি কৃষিক্ষেত্রের জন্য উপকারী।তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ফসলের ক্ষতি করতে
পারে।তাই এই সময়ে কৃষকদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হয়।
শ্রাবণ মাস অর্থাৎ মধ্যে জুলাই থেকে মধ্যে আগষ্ট মাস
শ্রাবণ মাসের ফসল এবং পরিচর্যা শ্রাবণ মাস, যা মধ্য জুলাই থেকে মধ্য আগস্ট
পর্যন্ত স্থায়ী হয়, বর্ষাকালের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস। এই সময়ে কৃষি ক্ষেত্রে
বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয় এবং বিদ্যমান ফসলের পরিচর্যা করা হয়।
ক) শ্রাবণ মাসে যেসব ফসল হয়
- ধান: ধানের চাষের জন্য বর্ষাকাল অনুকূল। শ্রাবণ মাসে আউশ ধানের রোপণ করা হয়।
- শাক-সবজি: লাউ, ঢেঁড়স, পুঁইশাক, পালং শাক, লাল শাক, কাঁকরোল, ঝিঙা, বেগুন, টমেটো, শসা, ঝিঙা, লাউ, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি,
- ফল: আম, জাম, পেয়ারা, আনার, কাঁঠাল, লেবু, বেল,
- মসলা: আদা, রসুন, কাঁচা মরিচ,
- ফুল: গাঁদা, জবা, সূর্যমুখী,
খ) শ্রাবণ মাসে যেসব ফসলের পরিচর্যা করতে হবে
- আউশ ধান: রোপণের পর আগাছা পরিষ্কার, পানি ব্যবস্থা, সার প্রয়োগ, পোকামাকড় দমন,
- শাক-সবজি: আগাছা পরিষ্কার, পানি ব্যবস্থা, সার প্রয়োগ, পোকামাকড় দমন,
- ফল: আগাছা পরিষ্কার, পানি ব্যবস্থা, সার প্রয়োগ, পোকামাকড় দমন, ছেঁটে দেওয়া,
- মসলা: আগাছা পরিষ্কার, পানি ব্যবস্থা, সার প্রয়োগ, পোকামাকড় দমন,
- ফুল: আগাছা পরিষ্কার, পানি ব্যবস্থা, সার প্রয়োগ, পোকামাকড় দমন,
কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক
- বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হলে জলাবদ্ধতা রোধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।
- পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি হতে পারে, তাই সঠিক সময়ে পোকামাকড় দমন করতে হবে।
- সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
ভাদ্র মাস অর্থাৎ মধ্যে আগষ্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাস
ভাদ্র মাসের ফসল এবং পরিচর্যা ভাদ্র মাস, যা মধ্য আগস্ট থেকে মধ্য সেপ্টেম্বর
পর্যন্ত স্থায়ী হয়, বর্ষাকালের শেষ মাস। এই সময়ে কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফসল
চাষ করা হয় এবং বিদ্যমান ফসলের পরিচর্যা করা হয়।
ক) ভাদ্র মাসে যেসব ফসল হয় ধান
- রোপা আমন: ভাদ্র মাসের প্রথম দিকে রোপা আমন ধানের চারা রোপণ করা হয়।
- আউশ
- ভরা
- শাক-সবজি
- বর্ষাকালীন: লাউ, ঢেঁড়স, পুঁইশাক, পালং শাক, লাল শাক, কাঁকরোল, ঝিঙা, বেগুন, টমেটো, শসা, ঝিঙা, লাউ, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি,
- শীতকালীন: চারা তৈরি করা হয়
- ফল
- আম
- জাম
- পেয়ারা
- আনার
- কাঁঠাল
- লেবু
- বেল
- মসলা
- আদা
- রসুন
- কাঁচা মরিচ
- ফুল
- গাঁদা
- জবা
- সূর্যমুখী
খ) ভাদ্র মাসে যেসব ফসলের পরিচর্যা করতে হবে
- রোপা আমন
- আগাছা পরিষ্কার
- পানি ব্যবস্থা
- সার প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
- আউশ
- ফসল কাটা
- মাড়াই,
- সংরক্ষণ
- ভরা
- ফসল কাটা
- মাড়াই
- সংরক্ষণ
- শাক-সবজি:
- আগাছা পরিষ্কার,
- পানি ব্যবস্থা,
- সার প্রয়োগ,
- পোকামাকড় দমন
- ফল
- আগাছা পরিষ্কার
- পানি ব্যবস্থা
- সার প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
- ছেঁটে দেওয়া
- মসলা
- আগাছা পরিষ্কার
- পানি ব্যবস্থা
- সার প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
- ফুল
- আগাছা পরিষ্কার
- পানি ব্যবস্থা
- সার প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক বৃষ্টির পরিমাণ কমে গেলে পানি ব্যবস্থার প্রতি নজর দিতে
হবে।পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি হতে পারে, তাই সঠিক সময়ে পোকামাকড় দমন করতে হবে।
আশ্বিন মাস অর্থাৎ মধ্যে সেপ্টেম্বর থেকে মধ্যে অক্টোবর মাস
আশ্বিন মাসের ফসল এবং পরিচর্যা আশ্বিন মাস, যা মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য অক্টোবর
পর্যন্ত স্থায়ী হয়, বর্ষাকালের শেষ এবং শরতের প্রথম মাস। এই সময়ে কৃষি
ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয় এবং বিদ্যমান ফসলের পরিচর্যা করা হয়।
ক) আশ্বিন মাসে যেসব ফসল হয়
- ধান
- আউশ
- ফসল কাটা,
- মাড়াই,
- সংরক্ষণ
- রোপা আমন
- বৃদ্ধি পর্যায়
- পরিচর্যা
- নাবি আমন
- নিচু এলাকায় চারা রোপণ
- শাক-সবজি
- বর্ষাকালীন
- পুঁইশাক
- পালং শাক,
- লাল শাক,
- কাঁকরোল,
- ঝিঙা,
- বেগুন,
- টমেটো,
- শসা
- শীতকালীন
- ফুলকপি
- বাঁধাকপি,
- লাউ,
- মুলা,
- কুমড়া,
- মিষ্টিকুমড়া
- পেঁয়াজ
- রসুন
- আলু,
- গাজর,
- ফল
- আম
- পাকা
- জাম
- পাকা
- পেয়ারা
- পাকা
- আনার
- পাকা
- কাঁঠাল
- পাকা
- লেবু
- বেল
- মসলা
- আদা
- বৃদ্ধি পর্যায়,
- পরিচর্যা
- রসুন
- বৃদ্ধি পর্যায়,
- পরিচর্যা
- কাঁচা মরিচ
- ফসল সংগ্রহ
- ফুল
- গাঁদা
- বীজ সংগ্রহ
- জবা
- বীজ সংগ্রহ
- সূর্যমুখী
- বীজ সংগ্রহ
খ) আশ্বিন মাসে যেসব ফসলের পরিচর্যা করতে হবে
- রোপা আমন
- আগাছা পরিষ্কার,
- পানি ব্যবস্থা,
- ইউরিয়ার শেষ কিস্তি প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
- নাবি আমন
- চারা রোপণ
- শীতকালীন শাক-সবজি:
- বীজ বপন
- চারা তৈরি
- ফল
- পাকা ফল সংগ্রহ
- পোকামাকড় দমন
- মসলা
- পোকামাকড় দমন
- ফুল
- বীজ সংগ্রহ
কার্তিক মাস অর্থাৎ মধ্যে অক্টোবর থেকে মধ্যে নভেম্বর মাস
কার্তিক মাসে (মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বর) ভালো হয় এমন কিছু ফসল এবং তাদের
পরিচর্যা ধান
- জাত: বারি ধান-৭,
- বারি ধান-৮,
- বারি ধান-29,
- BRRI dhan52,
- IRRI dhan64
পরিচর্যা:
- জমিতে পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করুন।
- আগাছা পরিষ্কার করুন।
- পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা করুন।
সার প্রয়োগ:
- জৈব সার: গোবর সার, হজম করা সরিষার খৈল, ভেড়ার সার
- রাসায়নিক সার: ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি
- কাটা: ধান পাকলে রোদেলা দিন দেখে কাটুন।
গম
- জাত: বারি গম-25,
- বারি গম-26,
- বারি গম-27,
- সোনালী, সুফী
পরিচর্যা
- জমি তৈরি: ভালোভাবে মাটি চাষ করে, আগাছা পরিষ্কার করে জমি তৈরি করুন।
- বীজ বপন: অনুমোদিত বীজ বপন করুন।
- সেচ: বীজ বপনের পর হালকা সেচ দিন।
- সার প্রয়োগ
- জৈব সার: গোবর সার, হজম করা সরিষার খৈল
- রাসায়নিক সার: ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি
- রোগ ও পোকামাকড়ের ব্যবস্থাপনা: রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করুন।
- কাটা: গম পাকলে কেটে মাড়াই করুন।
সরিষা
- জাত: বারি সরিষা-14,
- বারি সরিষা-15,
- বারি সরিষা-16,
- বারি সরিষা-17
পরিচর্যা:
- জমি তৈরি: ভালোভাবে মাটি চাষ করে, আগাছা পরিষ্কার করে জমি তৈরি করুন।
- বীজ বপন: অনুমোদিত বীজ বপন করুন।
- সেচ: বীজ বপনের পর হালকা সেচ দিন।
- সার প্রয়োগ:
- জৈব সার: গোবর সার, হজম করা সরিষার খৈল
- রাসায়নিক সার: ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি
- রোগ ও পোকামাকড়ের ব্যবস্থাপনা: রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করুন।
- কাটা: সরিষা পাকলে কেটে মাড়াই করুন।
মটরশুঁটি
- জাত: বারি মটরশুঁটি-4, বারি মটরশুঁটি-5, বারি মটরশুঁটি-6, বারি মটরশুঁটি-7
- পরিচর্যা:
- জমি তৈরি: ভালোভাবে মাটি চাষ করে, আগাছা পরিষ্কার করে জমি তৈরি করুন।
- বীজ বপন: অনুমোদিত বীজ বপন করুন।
- সেচ: বীজ বপনের পর হাল
অগ্রহায়ণ মাস অর্থাৎ মধ্যে নভেম্বর মাস থেকে মধ্যে ডিসেম্বর মাস
অগ্রহায়ণ মাসে (মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য ডিসেম্বর) ভালো হয় এমন কিছু ফসল এবং
তাদের পরিচর্যা
শীতকালীন সবজি পাতা কপি
- জাত: বারি পাতা কপি-1, বারি পাতা কপি-2, বারি পাতা কপি-3
- পরিচর্যা
- জমি তৈরি: ভালোভাবে মাটি চাষ করে, আগাছা পরিষ্কার করে জমি তৈরি করুন।
- বীজ বপন: অনুমোদিত বীজ বপন করুন।
- সেচ: বীজ বপনের পর হালকা সেচ দিন।
- সার প্রয়োগ:
- জৈব সার: গোবর সার, হজম করা সরিষার খৈল
- রাসায়নিক সার: ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি
- আগাছা পরিষ্কার: নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করুন।
- পোকামাকড় ও রোগের ব্যবস্থাপনা: রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করুন।
- কাটা: পাতা কপি পাতা বড় হয়ে উঠলে কেটে বাজারে বিক্রি করুন।
- ফুলকপি:
- জাত: বারি ফুলকপি-1, বারি ফুলকপি-2, বারি ফুলকপি-3
- পরিচর্যা:
- পাতা কপির মতো একইভাবে পরিচর্যা করুন।
- বাঁধাকপি:
- জাত: বারি বাঁধাকপি-1, বারি বাঁধাকপি-2, বারি বাঁধাকপি-3
- পরিচর্যা:
- পাতা কপির মতো একইভাবে পরিচর্যা করুন।
- গাজর:
- জাত: বারি গাজর-1, বারি গাজর-2, বারি গাজর-3
- পরিচর্যা:
- জমি তৈরি: ভালোভাবে মাটি চাষ করে, আগাছা পরিষ্কার করে জমি তৈরি করুন।
- বীজ বপন: অনুমোদিত বীজ বপন করুন।
- সেচ: বীজ বপনের পর হালকা সেচ দিন।
- সার প্রয়োগ:
- জৈব সার: গোবর সার, হজম করা সরিষার খৈল
- রাসায়নিক সার: ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি
- আগাছা পরিষ্কার: নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করুন।
- পোকামাকড় ও রোগের ব্যবস্থাপনা: রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করুন।
- কাটা: গাজর বড় হয়ে উঠলে কেটে বাজারে বিক্রি করুন।বিট
- জাত: বারি বিট-1, বারি বিট-2, বারি বিট-3
- পরিচর্যা:
- গাজরের মতো একইভাবে পরিচর্যা করুন।
- মুলা
- জাত: বারি মুলা-1, বারি মুলা-2, বারি মুলা-3
- পরিচর্যা:
- গাজরের মতো একইভাবে
পৌষ মাস অর্থাৎ মধ্যে ডিসেম্বর মাস থেকে মধ্যে জানুয়ারি মাস
পৌষ মাস, যা মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হয়, শীতকালের
দ্বিতীয় মাস। এই সময়ে কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয় এবং বিদ্যমান
ফসলের পরিচর্যা করা হয়।
ক) পৌষ মাসে যেসব ফসল হয়
- ধান:
- বোরো:
- বীজ বপন
- চারা তৈরি
- রোপা আমন:
- ফসল কাটা
- মাড়াই
- সংরক্ষণ
- শাক-সবজি:
- শীতকালীন:
- ফুলকপি,
- বাঁধাকপি,
- লাউ,
- মুলা,
- কুমড়া,
- মিষ্টিকুমড়া,
- পেঁয়াজ,
- রসুন,
- আলু,
- গাজর,
- বিভিন্ন ডাল
- ফল:
- পেঁপে:
- লেবু:
- বেল:
- মসলা:
- আদা:
- রসুন:
- কাঁচা মরিচ:
- ফুল:
- শীতকালীন:
- গাঁদা,
- জবা,
- সূর্যমুখী,
- ডেফোডিল,
- গ্লাডিওলাস,
খ) পৌষ মাসে যেসব ফসলের পরিচর্যা করতে হবে
- বোরো ধান:
- বীজতলা তৈরি
- চারা রোপণের প্রস্তুতি
- শীতকালীন শাক-সবজি
- আগাছা পরিষ্কার
- পানি ব্যবস্থা
- সার প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
- ফল:
- পানি ব্যবস্থা
- সার প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
- মসলা:
- পানি ব্যবস্থা
- সার প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
- ফুল:
- পানি ব্যবস্থা
- সার প্রয়োগ
- পোকামাকড় দমন
কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়, তাই ঠান্ডা থেকে ফসল রক্ষার
ব্যবস্থা করতে হবে।পানি ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে।পোকামাকড় ও রোগবালাই
যেনো ফসলের কোনো ক্ষতি না করতে পারে।
মাঘ মাস অর্থাৎ মধ্যে জানুয়ারি মাস থেকে মধ্যে ফ্রেব্রুয়ারি মাস
মাঘ মাসে যেসব ফসলের পরিচর্যা করতে হবে
- বোরো ধান:চারা রোপণের পর আগাছা পরিষ্কার,
- পানি ব্যবস্থা,
- ইউরিয়া সার প্রয়োগ,
- পোকামাকড় দমন,
- রবি ধান:
- বীজ বপন
- চারা তৈরি
- শীতকালীন শাক-সবজি:
- আগাছা পরিষ্কার,
- পানি ব্যবস্থা,
- সার প্রয়োগ,
- পোকামাকড় দমন,
- ফল:
- পানি ব্যবস্থা,
- সার প্রয়োগ,
- পোকামাকড় দমন,
- মসলা:
- পানি ব্যবস্থা,
- সার প্রয়োগ,
- পোকামাকড় দমন,
- ফুল:
- পানি ব্যবস্থা,
- সার প্রয়োগ,
পোকামাকড় দমন,মাঘ মাস, যা মধ্য জানুয়ারি থেকে মধ্য ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী
হয়, শীতকালের তৃতীয় মাস। এই সময়ে কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয় এবং
বিদ্যমান ফসলের পরিচর্যা করা হয়।
ক) মাঘ মাসে যেসব ফসল ভালো হয়
- ধান
- বোরো
- চারা রোপণ
- রবি:
- বীজ বপন
- চারা তৈরি
- শাক-সবজি
- শীতকালীন
- ফুলকপি,
- বাঁধাকপি,
- লাউ,
- মুলা,
ফাল্গুন মাস অর্থাৎ মধ্যে ফ্রেব্রুয়ারি মাস থেকে মধ্যে মার্চ মাস
ফাল্গুন মাসে (মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্য মার্চ) ভালো হয় এমন কিছু ফসল এবং
তাদের পরিচর্যা ফসল:শাকসবজি
- বেগুন (বর্ষাকালীন ও গ্রীষ্মকালীন)
- মিষ্টি কুমড়া
- লাউ
- করলা
- ওলকচু
- চাল কুমড়া
- পুইঁশাক
- চিচিংঙ্গা
- শসা
- লাল শাক
- কলমি শাক
- মুখী কচু
- ঢেড়শ
- মরিচ
- কাঁকরোল
- ডাটা শাক
- বরবটি
- ধুন্দল
- পটল
- ফল:
- তরমুজ
- পেঁপে
- আনারস
- কাঁঠাল
- আম
জাম্বুরা
শাকসবজি:
- বীজ বপন করার আগে জমি ভালোভাবে চাষ করে নিতে হবে।
- জমিতে পর্যাপ্ত সার প্রয়োগ করতে হবে।
- নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
- আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
- পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে।
ফল:
- গাছে নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
- সার প্রয়োগ করতে হবে।
- আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
- পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে।
ধান:
- ধানের ক্ষেতে নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
- সার প্রয়োগ করতে হবে।
- আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে।কিছু টিপস: ফসলের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত
জমি নির্বাচন করতে হবে।বীজ বপনের পূর্বে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নিতে হবে।উন্নত
জাতের বীজ ব্যবহার করতে হবে।কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী কৃষিকাজ করতে হবে।
চৈত্র মাস অর্থাৎ মধ্যে মার্চ মাস থেকে মধ্যে এপ্রিল মাস পর্যন্ত
চৈত্র মাস (মধ্য মার্চ থেকে মধ্য এপ্রিল) : ফসল ও পরিচর্যা ফসল শাকসবজি:
- লাউ
- করলা
- ওলকচু
- চাল কুমড়া
- পুঁইশাক
- চিচিংঙ্গা
- শসা
- লাল শাক
- কলমি শাক
- মুখী কচু
- ঢেড়শ
- মরিচ
- কাঁকরোল
- ডাটা শাক
- বরবটি
- ধুন্দল
- পটল
- ঝিঙা
- কাঁচা মরিচ
- ফল:
- তরমুজ
- পেঁপে
- আনারস
- কাঁঠাল
- আম
- জাম্বুরা
- লেবু
- কমলা
- পেয়ারা
ধান:বোরো ধান
- নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
- সার প্রয়োগ করতে হবে।
- আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
- পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে।
ফল:
- গাছে নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
- সার প্রয়োগ করতে হবে।
- আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
- পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে।
ধান:
- ধানের ক্ষেতে নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
- সার প্রয়োগ করতে হবে।
- আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে।
কিছু টিপস গরমের সময় ফসলের যত্ন নেওয়ার জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে
হবে।নিয়মিত সেচ দিতে হবে এবং মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা বজায় রাখতে
হবে।পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
কোন মাসে কোন সবজি পাওয়া যায়
প্রিয় পাঠক উপরের আলোচনা গুলো পড়ে নিশ্চয়ই আপনি এতক্ষণে জানতে পেরেছেন যে
বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান এবং কৃষি নির্ভরশীল একটি দেশ যে দেশে প্রায় অধিকাংশ
সবাই কৃষিকাজের সাথে জড়িত এছাড়াও বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য হচ্ছে ভাত যা আমাদের
দেশের মানুষ সবাই খেয়ে থাকে আরে ভাত উৎপাদনের প্রধান উৎস হচ্ছে ধান যা
আমাদের দেশের এখন সারা বছরই আনান জায়গায় আবহাওয়া পরিবর্তন অনুযায়ী চাষাবাদ
করা হয়ে থাকে বাংলাদেশ বছরের বিভিন্ন মাসে বিভিন্ন ধরনের সবজি পাওয়া যায়। নিচে
একটি তালিকা দেওয়া হল শীতকালীন সবজি বাংলাদেশের কৃষি ঋতুভিত্তিক, তাই সবজি
উৎপাদন ও বাজারে সরবরাহ ঋতুর উপর নির্ভর করে। নিচে মাস অনুযায়ী সবজির প্রাপ্যতা
তালিকাভুক্ত করা হলো বর্ষাকাল (জুন - সেপ্টেম্বর)
- লাউ
- ঢেঁড়স
- পুঁইশাক
- পালং শাক
- লাল শাক
- কাঁকরোল
- ঝিঙা
- বেগুন
- টমেটো
- শসা
- ঝিঙা
- কাকরোল
- ব্রকলি
- ফুলকপি
- বাঁধাকপি
শীতকাল (নভেম্বর - ফেব্রুয়ারি)
- ফুলকপি
- বাঁধাকপি
- লাউ
- মুলা
- কুমড়া
- মিষ্টিকুমড়া
- পেঁয়াজ
- রসুন
- আলু
- গাজর
- বিভিন্ন ডাল
গ্রীষ্মকাল (মার্চ - মে)
- লাউ
- কুমড়া
- মিষ্টিকুমড়া
- পেঁপে
- ঢেঁড়স
- শসা
- ঝিঙা
- বেগুন
- টমেটো
- কাঁচা মরিচ
বছরের যেকোনো সময়
- পুঁইশাক
- পালং শাক
- লাল শাক
- লেবু
- বেল
- আদা
- রসুন
- কাঁচা মরিচ
মনে রাখবেন বাজারে সবজির প্রাপ্যতা আবহাওয়া ও চাহিদার উপর নির্ভর করে
পরিবর্তিত হতে পারে।তালিকা সম্পূর্ণ নয়, আরও অনেক সবজি বিভিন্ন মাসে উপলব্ধ
থাকে।
কোন ফসলের পরিচর্যা কিভাবে করতে হয়
ফসলের পরিচর্যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভালো পরিচর্যা করলে ফসল ভালো হয়।
ফসলের পরিচর্যা বিভিন্ন ধরণের হয়।কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিচর্যা হলো
- জমি তৈরি: ফসল বপন করার আগে জমি ভালো ভাবে তৈরি করতে হবে।
- বীজ বপন: ভালো মানের বীজ ব্যবহার করতে হবে এবং সঠিক পদ্ধতিতে বপন করতে হবে।
- সার: ফসলের বৃদ্ধির জন্য সার প্রয়োগ করতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে সার প্রয়োগ করতে হবে।
- পানি: ফসলের জন্য পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে পানি দিতে হবে।
- আগাছা নিষ্কাশন: আগাছা ফসলের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ করে। তাই নিয়মিত আগাছা নিষ্কাশন করতে হবে।
- পোকামাকড় ও রোগ দমন: পোকামাকড় ও রোগ ফসলের ক্ষতি করে। তাই সঠিক সময়ে পোকামাকড় ও রোগ দমন করতে হবে।
কোন ফসলের কিভাবে পরিচর্চা করতে হবে তা নির্ভর করে ফসলের ধরন, জলবায়ু, মাটির
ধরন এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর। তবে, কিছু সাধারণ নীতিমালা রয়েছে যা আপনি
যেকোনো ফসলের পরিচর্চা করার জন্য অনুসরণ করতে পারেন
- মাটি প্রস্তুতি
- ফসল বপনের আগে মাটি ভালোভাবে চাষ করে নিতে হবে।
- মাটিতে পর্যাপ্ত জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।
- মাটির pH পরীক্ষা করে প্রয়োজনে লাইম বা সার ব্যবহার করতে হবে।
- বীজ বপন
- উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করতে হবে।
- বীজ বপনের সঠিক সময় ও পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
- সেচ
- নিয়মিত সেচ দিতে হবে।
- মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা বজায় রাখতে হবে।
- অতিরিক্ত সেচ দেওয়া যাবে না।
- আগাছা দমন
- নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
- আগাছা নাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
- পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ
- পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
- জৈব পোকামাকড়নাশক ব্যবহারের প্রচলন করতে হবে।
- সার প্রয়োগ
- সার প্রয়োগের সঠিক সময় ও পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
- মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে সারের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।
ফসল কাটার সময়ফসল পরিপক্ক হলে সঠিক সময়ে কাটতে হবে।ফসল কাটার পর সঠিকভাবে
সংরক্ষণ করতে হবে।
শেষ কথা-কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো জন্মে
কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো জন্মে এছাড়াও ছাড়া কোন মাসে কোন ফসল লাগাতে হয় এই
আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পেরেছেন এবং কোন ফসলের কিভাবে পরিচর্চা করতে হবে
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে আপনি বুঝতে পেরেছেন প্রিয় পাঠক আশা করছি সম্পূর্ণ
আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হতে পেরেছেন যদি আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হতে
পারেন তাহলে আর্টিকেলটিকে শেয়ার দিয়ে অন্যকে সঠিক তথ্য জানার সুযোগ করে দিন
এবং আপনার কোন মৌসুমে কোন ফসল ভালো জন্মে এই বিষয়ে প্রশ্ন অথবা মতামত থাকলে
কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না সেই সাথে আমাদের পরবর্তী আর্টিকেল পড়ার
আমন্ত্রণ জানিয়ে আজকে এখানেই শেষ করছি ধন্যবাদ।

.webp)
.webp)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url